ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় চুরির অভিযোগে এক শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত ব্যক্তির নাম মো. সেলিম (৪৫)।
তিনি উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষের হাওলা গ্রামের মো. মনতাজ আহমেদের ছেলে।
নিহতের স্ত্রী ঝরনা বেগম জানান, পূর্বশত্রুতার কারণে একই এলাকার আনোয়ার হাওলাদার, সিরাজ, রায়হান ও নীরব তার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. জাবেদ ইমরান জানান, ভর্তির পর সেলিমকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার শরীরে ক্রমাগত অবনতি ঘটতে থাকে।
পরে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে মারা যান তিনি।
অভিযুক্ত আনোয়ার হাওলাদার জানান, শনিবার রাতে সেলিম তার ঘরে চুরি করতে ঢোকে। টের পেয়ে তিনি ডাক চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতাল ভর্তি করা হয়।
তার সঙ্গে সেলিমের কোনো শত্রুতা নেই উল্লেখ করে উল্টো সেলিম চিহ্নিত চোর বলে অভিযোগ করেন।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেলিমের মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৃত ব্যক্তির নাম মো. সেলিম (৪৫)।
তিনি উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষের হাওলা গ্রামের মো. মনতাজ আহমেদের ছেলে।
নিহতের স্ত্রী ঝরনা বেগম জানান, পূর্বশত্রুতার কারণে একই এলাকার আনোয়ার হাওলাদার, সিরাজ, রায়হান ও নীরব তার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. জাবেদ ইমরান জানান, ভর্তির পর সেলিমকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার শরীরে ক্রমাগত অবনতি ঘটতে থাকে।
পরে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে মারা যান তিনি।
অভিযুক্ত আনোয়ার হাওলাদার জানান, শনিবার রাতে সেলিম তার ঘরে চুরি করতে ঢোকে। টের পেয়ে তিনি ডাক চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতাল ভর্তি করা হয়।
তার সঙ্গে সেলিমের কোনো শত্রুতা নেই উল্লেখ করে উল্টো সেলিম চিহ্নিত চোর বলে অভিযোগ করেন।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেলিমের মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক